Ad Code

পদত্যাগ করতে যাচ্ছেন নাহিদ-আসিফ | Resignation of Nahid Islam and Asif Mahmud

পদত্যাগ করতে যাচ্ছেন নাহিদ-আসিফ | Resignation of Nahid Islam and Asif Mahmud

পদত্যাগ করতে যাচ্ছেন উপদেষ্টা নাহিদ আসিফ ও মাহফুজ আলম। দেশের একটি জাতীয় দৈনিক বলছে আগামী 15 ফেব্রুয়ারি থেকে জুনের মধ্যে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ থেকে পদত্যাগ করবেন তারা। কিন্তু হঠাৎ কি কারণে পদত্যাগ করতে যাচ্ছেন এই তিন উপদেষ্টা? 

বিস্তারিত-

“আমরা এখনো জুলাই মাসে আছি এই জুলাই হত্যাকাণ্ডের ফয়সালা করেই আমরা আগস্টে যাব।”- নাহিদ ইসলাম। জুলাইয়ে ছাত্রজনতার আন্দোলনে নেতৃত্ব দানকারী অন্যতম তিন সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম আসিফ মাহমুদ সজীব ভুইয়া এবং মাহফুজ আলম। তীব্র আন্দোলনের মুখে শেখ হাসিনার পতন হলে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদে ছাত্রদের প্রতিনিধি হিসেবে যুক্ত হন তারা। তিনজন সামলাচ্ছেন সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় গুলো। কিন্তু অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পাঁচ মাস যেতে না যেতেই তাদের পদত্যাগের গুঞ্জন সামনে আসছে। যা নিয়ে শুরু হয়েছে নানা জল্পনাকল্পনা। জাতীয় দৈনিক আমার দেশ বরাতে জানা গেছে আগামী 15ই ফেব্রুয়ারির মধ্যে সরকার থেকে পদত্যাগ করতে যাচ্ছেন অন্তর্বর্তী সরকারের তথ্য উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম এবং যুবক প্রিয় উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ। আর আগামী জুন মাসে পদত্যাগ করতে পারেন সরকারের আরেক উপদেষ্টা মাহবুজ আলম। আর এর কারণ মূলত তাদের নেতৃত্বে আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছে। নতুন একটি রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক কমিটির একাধিক নেতা জানিয়েছেন আন্দোলনের শুরু থেকে প্রথম সারিতে নেতৃত্বে ছিলেন নাহিদ ইসলাম। সেই সঙ্গে তিনি ছিলেন জুলাই আগস্ট অভ্যুত্থানের এক দফার ঘোষক ছাত্র জনতার কাছেও তিনি অনেক জনপ্রিয়। তাই নতুন দলটির নেতৃত্বে আসবেন নাহিদ ইসলাম। আমার দেশ বলছে আগামী 15ই ফেব্রুয়ারির মধ্যে দল ঘোষণা করতে চায়। অভ্যুত্থানের নেতৃত্ব দানকারী শিক্ষার্থীদের সংগঠন জাতীয় নাগরিক কমিটি ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন নতুন দল ঘোষণার আগে 24 দফার ইশতেহার তৈরিতে কাজ করছে তারা। এজন্য 17 সদস্যের একটি কমিটি কাজ করছে বলে জানা গেছে আরআইসি টিএমএস যুগের পর যুগ স্থাপনা থাকে মজবুত। মূলত 24 এর গণঅভ্যুত্থানের মুখে শেখ হাসিনার পতনের পর সামনে আসে ছাত্রদের নেতৃত্বে দেশের নতুন রাজনৈতিক দল গঠনের কথা। অভ্যুত্থানের পাঁচ মাস পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত দল গঠনের কোন অফিশিয়াল ঘোষণা আসেনি। তবে ঘোষণা না আসলেও দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে এ নিয়ে নানা আলোচনা সমালোচনাও কম হচ্ছে না। নতুন দল গঠনের খবরে সম্প্রতি ছাত্রদের প্রতিনিধি সরকারে রেখে তাদের নেতৃত্বে রাজনৈতিক দল গঠন করে নির্বাচনে আসে তা মেনে নেওয়া হবে না বলে মন্তব্য করেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। নিরপেক্ষতা প্রশ্ন আসতে পারে কারণ এখানে আমরা জিনিসটা লক্ষ্য করছি যে আপনার ছাত্ররা তারা একটা রাজনৈতিক দল তৈরি করার কথা চিন্তা করছেন সেখানে যদি আপনার ছাত্রদের প্রতিনিধি সরকারে থাকে তাহলে তো আপনার সেখানে নিরপেক্ষ থাকতে পারবে না। সেজন্যই আপনার তখন ওইটা চেয়েও সম্ভাব্য কথা এটার আপনার কোন ই নাই কিন্তু যদি তারা মনে করে যে থেকেই তারা নির্বাচন করবেন তখন তো সে রাজনৈতিক দলগুলো মেনে নেবে না। এরপর উপদেষ্টা নাহিদ ইসলামও এ প্রসঙ্গে গণমাধ্যমে বলেন তারা রাজনৈতিক দলে যোগ দিলে অবশ্যই সরকার থেকে বের হয়ে যোগ দেবেন। ইলেকশনে অংশগ্রহণ বা রাজনৈতিক দল গঠন আমি যদি ইলেকশনে বা আমরা যারা ছাত্ররা যদি ইলেকশন বা অন্য যেকোনো উপদেষ্টাও যদি ইলেকশনে অংশগ্রহণ করতে চাই নিশ্চিতভাবে। তিনি আর সরকারে থাকবেন না সরকারের থেকে কেউ ইলেকশনে অংশগ্রহণ করবে না ইলেকশনে অংশগ্রহণ করতে হলে অবশ্যই একটা নির্দিষ্ট সময়ের আগে হচ্ছে সরকার ছেড়ে দিবে তারা এবং রাজনৈতিক দল গঠনের বিষয়ে হচ্ছে যে আমরা তো যে বাইরের যে রাজনৈতিক দল গঠন ছাত্ররা করতে যাচ্ছে সেই গঠন প্রক্রিয়ায় আমরা তো প্রত্যক্ষভাবে অংশগ্রহণ করছি না এবং বৈষম্যবিরোধীর নতুন কমিটি হয়েছে জাতীয় নাগরিক কমিটির আলাদা বডি আছে তারা তাদের মত কাজ করতেছে আমরা যদি সেই দল গঠন প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করতে চাই সরাসরিভাবে আমরা অবশ্যই সরকার ছেড়ে দেব এদিকে সম্প্রতি জাতীয় নাগরিক কমিটির একটি বৈঠকে বেশিরভাগ সদস্য মতামত দিয়েছেন যে অন্তর্বর্তী সরকারে থাকা এক বা একাধিক ছাত্র উপদেষ্টার পদত্যাগ করা উচিত সাধারণ মানুষের কাছে যেসব ছাত্র উপদেষ্টার গ্রহণযোগ্যতা বেশি তাদের পদত্যাগ করে নতুন রাজনৈতিক দলে যুক্ত হয়ে নেতৃত্বে আসা প্রয়োজন।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ

Close Menu